চাকরির খবর

নূন্যতম ১০০০ টাকা বিনিয়োগ করে পেতে পারেন ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত রিটার্ন, পোস্ট অফিসের নতুন স্কিম, জেনে নিন এখনই

ব্যাংক অথবা পোস্ট অফিস কোনক্ষেত্রে নানান স্কিমে বিনিয়োগের সুবিধা বেশি তা নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই নাগরিকদের মধ্যে। এক্ষেত্রে বলা ভালো, বিভিন্ন ব্যাংকের ক্ষেত্রে যেমন নানান প্রকার স্কিম রয়েছে যেগুলিতে বিনিয়োগ করে নাগরিকরা তাদের অর্থ নিশ্চিত রূপে রিটার্ন পাওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রকার সুবিধা পেয়ে থাকেন। আর এই মূল্যবৃদ্ধির বাজারে সাধারণ মানুষের কাছে এই স্কিমগুলি যেনো পরশপাথর।

একইভাবে পোস্ট অফিসের ক্ষেত্রেও অন্য প্রকার স্কিম কার্যকরী করা হয়েছে যেগুলির সুবিধা পেতে চলেছেন সমগ্র ভারতের সাধারণ মানুষ। বিভিন্ন ব্যাংকের নানা প্রকার উল্লেখযোগ্য স্কিমের মতোই পোস্ট অফিসের স্কিমগুলিও সারা ভারতের মানুষের কাছে সমানভাবে জনপ্রিয়। তবে আজ আমরা ব্যাংক নাকি পোস্ট অফিস কোথায় বিনিয়োগের সুবিধা বেশি এ বিতর্কে যাব না। আজ আমরা নাগরিকদের জন্য ভারতীয় ডাক বিভাগের এমন একটি স্কিম সম্পর্কিত তথ্য নিয়ে হাজির হয়েছি যাতে বিনিয়োগ করলে পাশাপাশি মিলবে বিভিন্ন প্রকার সুবিধাও। এই স্কিমটি ভারতের ডাক বিভাগের তরফে কার্যকরী একটি স্কিম সুতরাং এক্ষেত্রে ঝুঁকির কোনো প্রশ্নই উঠছে না।

চলুন তবে এই স্কিমটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে নেওয়া যাক:-
ভারতজুড়ে মূল্যবৃদ্ধির কথা মাথায় রেখে ভারতীয় ডাক বিভাগের তরফে বারংবার ভারতীয় নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন প্রকার স্কিম লঞ্চ করা হয়ে থাকে। আর এই স্কিমগুলির সুবিধা নিতে পারলে আপনিও যথেষ্ট টাকা রিটার্ন পেতে পারবেন। আর ডাকবিভাগের তরফে সাধারণ মানুষের জন্য কার্যকরী এমন একটি স্কিম হলো জাতীয় সঞ্চয়পত্র বা National Saving Certificate। এই স্কিমের অধীনে বিনিয়োগ করলে ভারতীয় নাগরিকরা ৬.৮ শতাংশ হারে সুদ পেয়ে যাবেন। তবে এক্ষেত্রে চক্রবৃদ্ধি হারে আপনাকে সুদ প্রদান করা হবে অর্থাৎ আপনার বিনিয়োগ করা টাকা দ্রুত বৃদ্ধি পাবে। এই স্কিমের অধীনে আপনাকে মাত্র ৫ বছরের জন্য অর্থ বিনিয়োগ করতে হবে। এই স্কিমের অধীনে আপনি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বিনিয়োগ করতে পারেন কিংবা যৌথ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেও বিনিয়োগ করতে পারেন।

এমনকী এই স্কিমের অধীনে আপনারা তিনজন পর্যন্ত একত্রে যৌথ অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেট এর অধীনে আপনি সর্বনিম্ন ১০০০ টাকা বিনিয়োগ করতে পারেন, অন্যদিকে হাজারের গুণিতকে আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী টাকা বিনিয়োগ করতে পারবেন। এই স্কিমের অধীনে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সের কোনো সীমাবদ্ধতা নেই, ১০ বছরের নাবালক থেকে শুরু করে বয়স্ক ব্যক্তি পর্যন্ত এই স্কিমের অধীনে অর্থ বিনিয়োগ করতে পারেন। তবে যদি কোনো নাবালক বালক অথবা বালিকা যার বয়স ১৮ এর নিচে এই স্কিমের অধীনে টাকা বিনিয়োগ করে তবে তার অ্যাকাউন্ট তার বাবা-মাকেই পরিচালনা করতে হবে।

টেটের আবেদন পত্রে কোনো তথ্য ভুল হয়ে গিয়েছে, এই পদ্ধতিতে ঠিক করে নিন, সময় ২৪ ঘণ্টা

এই স্কিমের অধীনে আপনারা কি কি সুবিধা পেতে চলেছেন?
১. ভারতীয় ডাক বিভাগের এই সিমের অধীনে বিনিয়োগ করলে আপনি ৮০ সি ধারা অনুসারে করের ক্ষেত্রে ছাড় পেয়ে যাবেন। ১,৫০,০০০ টাকা বা তার বেশি টাকার বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আপনি পেয়ে যাবেন ছাড়ের সুবিধা।
২. ভারতীয় ডাক বিভাগের এই স্কিমের অধীনে আপনি ৬.৮ শতাংশ হারে সুদ পেয়ে যাবেন।
৩. এই স্কিমে বিনিয়োগের মাধ্যমে আপনারা সর্বোচ্চ ৬.৯৪ অর্থাৎ ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত পেয়ে যেতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে আপনাকে ৫ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। সুতরাং ৫ বছরে এই সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করে আপনি অতিরিক্ত ২ লক্ষ টাকা রিটার্ন পেতে চলেছেন।
৪. এই স্কিমের অধীনে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সের কোনো সীমাবদ্ধতা নেই।

এর পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশ্যে এও জানিয়ে রাখি যে, ভারতীয় ডাকবিভাগের এই স্কিমের সাথে শেয়ার বাজারের কোনোরকম সম্পর্ক নেই। সুতরাং এক্ষেত্রে বিনিয়োগ একেবারে ঝুঁকিহীন। যেকোনো কারণে শেয়ারবাজারে ধ্বস নামলেও আপনার বিনিয়োগের কোনোরকম ক্ষতি হবে না এবং আপনি নিশ্চিতরূপে রিটার্ন পাবেন। এমনকী এই স্কিমের অধীনে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী স্বয়ং বিনিয়োগ করেছেন সুতরাং আপনিও অকুন্ঠিতভাবে বিনিয়োগ করতে পারেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button