Do-you-know-the-difference-between-prepaid-and-postpaid-sim

আপনি কি একজন প্রিপেইড অথবা পোস্টপেইড গ্রাহক? তবে এই খবরটি আপনার জন্য। প্রিপেইড আর পোস্টপেইড দুই ধরনের সিমই বর্তমানে বহুল প্রচলিত। তবে অনেকের মতে প্রিপেইড সিমের সুবিধা বেশি, আবার অনেকের মতে পোস্টপেইড সিমের সুবিধা বেশি। যদিও বর্তমানে তরুণ প্রজন্মের কাছে প্রিপেইড সিম এবং এর রিচার্জ প্ল্যানগুলি যথেষ্ট জনপ্রিয়। আর তা থেকেই শুরু নানান জল্পনার। অনেকেই নতুন সিম কেনার সময় মনস্থির করতে পারেন না কোন সিমটি কেনা তার পক্ষে বিশেষ লাভজনক হবে প্রিপেইড নাকি পোস্টপেইড। তাই আজ আমরা আলোচনা করবো, প্রিপেইড এবং পোস্টপেইড সিমের মধ্যে কি কি তফাৎ রয়েছে, কোন সিমটি কিনলে কোন শ্রেণীর মানুষের সুবিধা বেশি ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলি (Prepaid And Postpaid Sim)।

• প্রিপেইড সিম (Prepaid Sim):-
প্রিপেইড সিম হলো এমন একটি সংযোগ মাধ্যম যার ক্ষেত্রে আপনাকে কলিং, ডেটা ব্যবহার, মেসেজিং এবং অন্য যেকোনও পরিষেবার জন্য টেলিকম সংস্থাকে অগ্রিম অর্থ প্রদান করতে হবে, অর্থাৎ ওই টেলিকম কোম্পানির রিচার্জ প্ল্যান কিনতে হবে। এই সিমের ক্ষেত্রে পরিষেবাগুলি ব্যবহারের জন্য প্রথমেই আপনাকে টেলিকম কোম্পানির বিভিন্ন প্রিপেইড রিচার্জ প্ল্যানের মধ্যে আপনার সুবিধা মতো যেকোনো একটি রিচার্জ প্ল্যান নির্বাচন করতে হবে এবং সেটি কিনতে হবে। এই রিচার্জ প্ল্যানগুলির নির্দিষ্ট বৈধতা রয়েছে। একটি রিচার্জ প্ল্যানের বৈধতা শেষ হলে আপনাকে আবার একটি রিচার্জ প্ল্যান কিনতে হবে তবেই আপনি পুনরায় কলিং, ডেটা ব্যবহার, মেসেজিং এবং অন্য যেকোনোও পরিষেবা পাবেন।

আবেদন করুন রোলস-রয়েস উন্নতি স্কলারশিপে এবং পেয়ে যান এককালীন ৩৫,০০০ টাকার অনুদান

• পোস্টপেইড সিম (Postpaid Sim):-
পোস্টপেইড সিম হলো এমন একটি সংযোগ মাধ্যম যার ক্ষেত্রে আপনি কলিং, ডেটা ব্যবহার, মেসেজিং এবং অন্য যেকোনও পরিষেবা ব্যবহার করতে পারবেন এবং মাসের শেষে এই সমস্ত পরিষেবার মূল্য আপনাকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টেলিকম কোম্পানিকে প্রদান করতে হবে।

সাধারণত পরিষেবা প্রদানের পূর্বে গ্রাহকের সাথে পরিষেবা প্রদানকারী টেলিকম কোম্পানির নির্দিষ্ট চুক্তি হয়, যার মাধ্যমে কলিংয়ের রেট, কলিং মিনিট, ডেটা ব্যবহারের চার্জ, মেসেজিংয়ের রেট এবং অন্য যেকোনো পরিষেবার দাম এবং নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করা হয়। মাসের শেষে সেই হিসেব অনুসারে গ্রাহককে বিল পাঠানো হয়। তবে ব্যবহার যদি সুনির্দিষ্ট সীমা থেকে কম বা সমান হয় তবে সেক্ষেত্রে ফ্ল্যাট হারে চার্জ করা হয়ে থাকে। এরপরেও যদি অতিরিক্ত ব্যবহার করা হয় তবে অতিরিক্ত চার্জ নেওয়া হয়। এক্ষেত্রে ব্যবহারকারী সীমাহীন ক্রেডিটের সুবিধা পান।
তবে পোস্টপেইড সিমের ক্ষেত্রে গ্রাহকের পূর্ববর্তী ঋণের ইতিহাস যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। পোস্টপেইড সিম সেইসকল গ্রাহকদের দেওয়া হয়ে থাকে যাদের ওপর টেলিকম কোম্পানি নির্ভর করতে পারে। গ্রাহক যদি নির্দিষ্ট সময়ের পরও পরিষেবার বিল পরিশোধ না করেন তবে টেলিকম কোম্পানির তরফে গ্রাহকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে।

কৃষকরা আবেদন করুন এই প্রকল্পে, বছর শেষে অ্যাকাউন্টে আসবে ১২০০০ টাকা

প্রিপেইড সিম যেমন যেকোনো গ্রাহক নিতে পারেন, পোস্টপেইড সিম কেবলমাত্র নির্ভরযোগ্য গ্রাহকদের দেওয়া হয়ে থাকে। যেসকল গ্রাহকদের ব্যবহার নির্দিষ্ট তারা প্রিপেইড ব্যবহার করতে পারেন এবং যেসকল গ্রাহকদের ক্ষেত্রে যথেষ্ট ব্যবহার রয়েছে তারা পোস্টপেইড সিম নিতে পারেন। এক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুসারে সিম বেছে নিলে আপনিও যথেষ্ট টাকা সঞ্চয় করতে পারবেন।

এইরকম আরও নানান গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে আমাদের পেজটি ফলো করুন এবং নীচের ডানদিকের আইকনে ক্লিক করে আজই যুক্ত হোন আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে