Get-rs-70000-annually-from-Vidyasaarathi-scholarship-2022-learn-the-application-details-today

আজ আপনাদের সাথে অত্যন্ত আকর্ষণীয় একটি স্কলারশিপ নিয়ে আলোচনা করবো। প্রায় যে কোনো ক্লাস থেকে শুরু করে একেবারে স্নাতকোত্তর স্তর পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীরা এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন। স্কলারশিপটির নাম বিদ্যাসারথী স্কলারশিপ (Vidyasaarathi Scholarship 2022) । কীভাবে এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে হবে, কারা বিদ্যাসারথী স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন, আবেদনের জন্য কী কী ডকুমেন্ট লাগবে ইত্যাদি সমস্ত বিষয় নিয়ে নীচে আলোচনা করা হলো।

বিদ্যাসারথী স্কলারশিপ কী?

বিদ্যাসারথী প্রকৃতপক্ষে একটি স্কলারশিপ পোর্টাল যেখানে বিভিন্ন জনপ্রিয় কর্পোরেট সংস্থার স্কলারশিপগুলোর জন্য আবেদন করা যায়। বিদ্যাসারথী স্কলারশিপ পোর্টালটি Protean eGov Technologies Limited দ্বারা তৈরী করা হয়েছে। এই পোর্টালে প্রচুর স্কলারশিপের জন্য (কমপক্ষে ৮০ থেকে ৯০ টি) আবেদন করা যায়। এই পোর্টালের স্কলারশিপগুলোতে আবেদনের জন্য বিদ্যাসারথী ওয়েবসাইট আলাদা করে কোনো আবেদন ফি নেয় না।

বিদ্যাসারথী পোর্টালে বর্তমানে মোট যতগুলো স্কলারশিপ উপলব্ধ রয়েছে তা নীচের লিংকে ক্লিক করে দেখে নিন।

বিদ্যাসারথী স্কলারশিপের মাধ্যমে কত টাকা করে দেওয়া হয়?

যেহেতু এই পোর্টালে প্রচুর স্কলারশিপ রয়েছে তাই প্রতিটি স্কলারশিপের মাধ্যমে প্রদত্ত আর্থিক রাশির পরিমান তুলনামূলক কিছুটা আলাদা হয়। তবে সবমিলিয়ে ধরলে দ্বাদশ শ্রেণী ও স্নাতক স্তর পর্যন্ত বার্ষিক প্রায় ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত স্কলারশিপ স্কিম রয়েছে। ডাক্তারি, ইঞ্জিনিয়ারিং ও স্নাতকোত্তর স্তর পর্যন্ত কমবেশী বার্ষিক ৭০,০০০ টাকা পর্যন্ত স্কলারশিপ স্কিম বিদ্যাসারথী পোর্টালে রয়েছে।

বিদ্যাসারথী স্কলারশিপে আবেদনের জন্য কী কী লাগবে?

১. আবেদনকারীর পাসপোর্ট সাইজ ছবি
২. আগের পরীক্ষার মার্কশীট
৩. ইনকাম সার্টিফিকেট
৪. নতুন কোর্সে ভর্তির রিসিপ্ট
৫. ব্যাংকের পাসবুকের প্রথম পাতার জেরক্স
৬. পরিচয়ের প্রমানপত্র
৭. ঠিকানার প্রমানপত্র
[উল্লেখ্য পরিচয় ও ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ভোটার কার্ড ইত্যাদি যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ নথি দিতে পারেন।]

সেভিংস ও কারেন্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মধ্যে পার্থক্য কী রয়েছে তা জেনে নিন

কীভাবে বিদ্যাসারথী স্কলারশিপের জন্য আবেদন করবেন?

১. প্রথমে বিদ্যাসারথী স্কলারশিপের অফিসিয়াল পোর্টাল www.vidyasaarathi.co.in -এ যাবেন।
২. তারপরে উক্ত ওয়েবসাইটে নিজের নাম, মোবাইল নম্বর, ইমেল আইডি ইত্যাদি সবকিছু দিয়ে রেজিস্টার করে নেবেন এবং তারপরে পোর্টালে লগ ইন করে নেবেন।
৩. এবার আপনার সিলেক্ট করা শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুসারে আপনার জন্য উপলব্ধ বিভিন্ন স্কলারশিপ প্রকল্পগুলো দেখতে পাবেন।
৪. আপনি যে স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে চান সেটির Apply অপশনে ক্লিক করে প্রয়োজনীয় সব তথ্য পূরণ করে উপরোক্ত প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টগুলো আপলোড করে দেবেন এবং সবশেষে আপনার আবেদন Submit করে দেবেন।

আপনার আবেদন সাবমিট করার পরে বিদ্যাসারথী পোর্টালে লগ ইন করে নিজের আবেদনের স্ট্যাটাসও চেক করতে পারবেন। তবে মনে রাখবেন, বিদ্যাসারথী পোর্টালের কোনো স্কলারশিপের জন্য আবেদন করলেই সেটি পাবেন না। প্রথমে আপনার আবেদন, শিক্ষাগত যোগ্যতা, পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর, পরিবারের বার্ষিক ইনকাম ইত্যাদি সমস্ত তথ্য উক্ত কর্পোরেট সংস্থার দ্বারা যাচাই করা হবে এবং তারপরে সেই সংস্থা আপনাকে যোগ্য বলে বিবেচিত করলে তবেই স্কলারশিপের টাকা সরাসরি আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে দিয়ে দেওয়া হবে।

আবেদনের সময়সীমা –

বিদ্যাসারথী স্কলারশিপ পোর্টালে প্রচুর স্কলারশিপ রয়েছে। তাই স্পষ্টতই বিভিন্ন স্কলারশিপে আবেদনের শেষ তারিখ আলাদা। তবে অধিকাংশ স্কলারশিপগুলোই ৩০ শে সেপ্টেম্বর অথবা ১ লা অক্টোবর,২০২২ পর্যন্ত উপলব্ধ রয়েছে। তাই দেরী না করে দ্রুত এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করুন।

অফিসিয়াল পোর্টাল – Link

স্কলারশিপ সংক্রান্ত এই রকম আরও নানান গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে আমাদের ওয়েবসাইটটি ফলো করুন এবং নীচের ডানদিকের টেলিগ্রাম আইকনে ক্লিক করে আজই জয়েন হন আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে